যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ২০% শুল্ক আরোপ করা হলেও এতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। যদিও তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ আলোচনার সময় ২০%-এরও কম হারে শুল্ক প্রত্যাশা করেছিল।যুক্তরাষ্ট্র পূর্বে বাংলাদেশকে ৩৭% পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিল, যা প্রথমে ৩৫%-এ নামিয়ে আনা হয়। অবশেষে তিন দিনের আলোচনা শেষে এই হার ২০%-এ নির্ধারণ করা হয়। বাণিজ্য উপদেষ্টার মতে, এই হার রপ্তানিতে বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। বরং এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পের জন্য বাজার ধরে রাখার সুযোগ সৃষ্টি করবে।তৃতীয় দফার শুল্ক আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন শেখ বশিরউদ্দীন। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান ও অতিরিক্ত সচিব নাজনীন কাউসার চৌধুরী। তারা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের সঙ্গে টানা তিন দিন ধরে আলোচনা করেছেন। এই আলোচনার ভিত্তিতেই হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে ২০% শুল্কের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্ক রক্ষা ও সম্প্রসারণ করাই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ২০% হার উচ্চ মনে হলেও পূর্বের প্রস্তাবিত ৩৫%-৩৭% শুল্কের তুলনায় এটি অনেক সহনশীল ও বাস্তবসম্মত।”এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি অব্যাহত থাকবে এবং পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক মূল্য সুবিধা অনেকাংশে অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র : ঢাকা ট্রিবিউন
