ডাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে হুইলচেয়ারে করে কেন্দ্রে আসেন মেঘমল্লার বসু। শারীরিক অসুস্থতার কারণে চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা থাকলেও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে তিনি পিছপা হননি। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরাও কেন্দ্রের বাইরে সরব ছিলেন। মেঘমল্লার বসুর কেন্দ্র প্রবেশের সময় উপস্থিত অনেকেই তাকে উৎসাহ দেন এবং এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।তিনি বলেন, “ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি দায়িত্বও। শারীরিক কষ্ট থাকলেও ভোট দিতে না আসা অন্যায়ের শামিল।” তার এ বক্তব্য তরুণ ভোটারদের মধ্যে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ সহায়তায় তাদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও ভোট প্রদানের সুযোগ করে দেওয়া হয়। ফলে মেঘমল্লার বসুসহ অনেকেই সহজে ভোট দিতে পেরেছেন।ভোটকেন্দ্রে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতি সচেতন ও আগ্রহী। হুইলচেয়ারে আগমন করে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া মেঘমল্লার বসু হয়ে উঠেছেন তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক। তার এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিয়েছে যে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই নাগরিক দায়িত্ব পালনে বাঁধা হতে পারে না।এছাড়া নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা চেষ্টা করছে প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। মেঘমল্লার বসুর মতো ভোটারদের উপস্থিতি এ নির্বাচনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্যাম্পাসে উপস্থিত অনেক শিক্ষার্থী বলেন, “এটি শুধু ভোট নয়, বরং একটি বার্তা—গণতান্ত্রিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।”মেঘমল্লার বসুর হুইলচেয়ারে করে ভোট কেন্দ্রে আসার ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পর্যন্ত সবাই তার এই সাহসিকতার প্রশংসা করছেন।
সূত্র : যমুনা টিভি
