Falcon Feed

আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির, মোট ৩০ আসনে চূড়ান্ত তালিকা

আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির, মোট ৩০ আসনে চূড়ান্ত তালিকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আরও তিনটি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এর মাধ্যমে দলটির মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়াল ৩০ জনে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে এনসিপির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন করে চূড়ান্ত হওয়া তিনটি আসনের মধ্যে নেত্রকোনা-২ আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ফাহিম পাঠান। মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে প্রীতম দাশকে এবং রাজবাড়ী-২ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন জামিল হিজাযী। দলটির নেতারা বলছেন, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ধাপে ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও আরও কয়েকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। দলটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা করছে। প্রার্থীদের ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোট ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয়। ওই জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি সমঝোতায় না গিয়ে এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়। এই অবস্থায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের কৌশল নতুন করে সাজাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির ধারাবাহিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা নির্বাচনী মাঠে দলটির প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও বড় রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় এনসিপি এখনো তুলনামূলক নতুন, তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় শক্তিশালী প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে বিকল্প হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে।

এনসিপির নেতারা আশা প্রকাশ করছেন, স্বচ্ছ রাজনীতি, নাগরিক অধিকার এবং সুশাসনের বার্তা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তারা জনগণের সমর্থন আদায় করতে পারবেন। এখন দলটির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—ঘোষিত প্রার্থীদের ঘিরে সংগঠন শক্তিশালী করা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় কার্যকর উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

সূত্র : যমুনা টিভি

Related Articles