যশোরের দৌলতদিহি গ্রাম আবারো এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হলো। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল ইসলামকে। এই ঘটনা কেবল একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
কীভাবে ঘটলো এই হত্যাকাণ্ড? স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত রেজাউলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারা একসঙ্গে একটি চায়ের দোকানে চা পানও করে। কিন্তু এরপরই ঘটে নৃশংস ঘটনাটি। বাড়ি ফেরার পথে নির্জন রাস্তায় তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
পুলিশের বক্তব্য কী? যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত জানিয়েছেন, নিহত রেজাউল ইসলাম যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলাও রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের ধরতে তৎপর রয়েছে।
এলাকায় আতঙ্ক এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো দৌলতদিহি গ্রামে শোকের পাশাপাশি এক গভীর আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন প্রকাশ্যে ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এসব ঘটনা আমাদের সমাজে কী বার্তা দিচ্ছে? রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এমন নৃশংসতা কি স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে? এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
Source: Samakal
