পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নে এক কলেজছাত্রী (১৯) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে। ভুক্তভোগী জানান, তিনি পালিত মায়ের বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সে সময় চারজন অজ্ঞাত যুবক অটোরিকশায় তুলে তাকে উপজেলার বাদুরা গ্রামের নির্জন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এর পর আশ্রয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইজিবাইকচালকও তাকে যৌন নির্যাতনের শিকার করে।বুধবার দুপুরে এক ব্যক্তি ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন এবং মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।ভুক্তভোগী আরও জানান, তার বাবা-মা কেউ জীবিত নেই। ছোটবেলা থেকেই তিনি শংকরপাশা গ্রামে পালিতা মায়ের সঙ্গে থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকা থেকে ওই এলাকায় এসেছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ আবু নাসের বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মানবাধিকারকর্মীরাও বলেছেন, এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে।এদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় মামলা হলে দোষীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে পারে। তবে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র : আরটিভি
