Falcon Feed

রাফাহ ক্রসিং বন্ধ: প্রতিশ্রুতি থাকলেও গাজায় ত্রাণ প্রবেশে কড়াকড়ি, অনুমোদন মাত্র ৩০০ ট্রাক

রাফাহ ক্রসিং বন্ধ: প্রতিশ্রুতি থাকলেও গাজায় ত্রাণ প্রবেশে কড়াকড়ি, অনুমোদন মাত্র ৩০০ ট্রাক

গাজায় ত্রাণ সরবরাহে নতুনভাবে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল; মিশর সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিংকে খোলার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর হচ্ছেনা। তেলআবিব মঙ্গলবার জাতিসংঘকে জানায়, আপাতত গাজায় প্রতিদিন মাত্র তিনশোট জন ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে দেবে তারা — যেখানে আগে অন্তত ছয়শোর কাছাকাছি ট্রাক ঢুকতে পারত বলে জানানো হয়েছিল। জাতিসংঘও সমপরিমাণ ট্রাক প্রবেশের দাবি করেছিল; তবু অনুমোদন সীমিত রাখা হচ্ছে।ত্রাণের পাশাপাশি জ্বালানি ও গ্যাস প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে; কিছু নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম ছাড়া এগুলোতে নিষেধাজ্ঞা চালু থাকবে। ফলে হাজার হাজার টন তেল, গ্যাস ও অন্যান্য জীবনাবশ্যক সামগ্রী গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারছে না। ধর্মস্থল, হাসপাতাল ও পণ্যের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত সংস্থাগুলো জানিয়েছে যে সীমান্তগুলোর বিভিন্ন স্থলে প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন ত্রাণ সামগ্রী এখনই প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে আছে — সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে দ্রুতগতিতে মানবিক সংকট বাড়ায়।ইসরায়েলের মাধ্যমে গাজা ত্রাণপ্রবাহ সীমিত রাখার কারণ হিসেবে সামরিক সূত্র বলছে, হামাস যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু বাকি জিম্মির মরদেহ ফিরিয়ে দেয় না; ততক্ষণ রাফাহ ক্রসিং বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সেনাবাহিনী। তাদের দাবী অনুযায়ী, বাসসিক নিরাপত্তা ও নিদর্শনগত অনুনয়-বিনয় ছাড়া অধিকতর ত্রাণ ঢুকলে তা বিভিন্নভাবে কাজে লাগাতে পারে। হামাসের পক্ষ থেকে যদিও ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে কয়েকজন জিম্মি ও চার জনের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তবুও ২৪ জনের মরদেহ এখনও গাজায় রয়েছে এবং কিছু মরদেহের সন্ধান হারানোরও অভিযোগ উঠেছে।হিউম্যানিটি মিশনগুলো সতর্ক করে বলছে, রাফাহ ক্রসিং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে গাজার নগর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানির সরবরাহ গভীরভাবে ব্যাহত হবে এবং আরও বেশি মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো পরিস্থিতি শিথিল করার আহ্বান জানালেও বাস্তবে তাত্ক্ষণিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে।

সূত্র : যমুনা টিভি

Related Articles