Falcon Feed

চট্টগ্রাম ইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ১৭ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, নিহতের ঘটনা নেই

চট্টগ্রাম ইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ১৭ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, নিহতের ঘটনা নেই

চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) দুইটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে স্বস্তির খবর হলো—এই দীর্ঘ সময়ের অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করেছে। আগুন নেভাতে পুলিশ, আনসার, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী এবং বিজিবিও সহায়তা করেছে, যা সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে আরও কার্যকর করেছে।ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণের পুরো সময় জুড়ে সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখে কাজ করেছেন। সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, আগুন আশেপাশের অন্য কোনো স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়েনি, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। কর্মকর্তারা মনে করেন, বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণেই আগুনের তীব্রতা কমিয়ে আনতে এবং ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখতে সক্ষম হয়েছে তারা।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে ফায়ার সার্ভিস একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইপিজেডের ৫ নম্বর ইউনিটের কারখানায় প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে আগুন পাশের ‘জিন হং মেডিকেল’ নামের কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে উভয় স্থাপনাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের ছাদ আংশিকভাবে খসে পড়ায় আগুন নেভাতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ ও প্রশিক্ষিত বাহিনীর উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে আলাদা একটি মূল্যায়ন দল কাজ করছে।চট্টগ্রাম ইপিজেডের এই অগ্নিকাণ্ড শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আগুনের কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত প্রতিবেদনই হবে মূল নির্দেশনা।

সূত্র : যমুনা টিভি

Related Articles