আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে গণহামলা ও জনতার উগ্র আচরণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর ধারাবাহিক হামলা নিরাপত্তা পরিবেশকে অনিশ্চিত করে তুলছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এস এম সাজ্জাত আলী প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের অপমান, হামলা ও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “পুলিশকে আক্রমণ অব্যাহত থাকলে মানুষকেই নিজের বাড়ি রক্ষা করতে হবে।”
আইজিপি বাহারুল আলম জানান, ১৭ নভেম্বর ধানমন্ডি ৩২-এ হামলার চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মতো আচরণ করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ধরনের হামলা বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে গণহামলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা নির্বাচনী সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। কিছু প্রার্থী সহিংসতা ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখাতে পারেন বলেও শঙ্কা রয়েছে।
এএসকে জানিয়েছে, গত ১৩ মাসে গণহামলায় ২২০ জনের মৃত্যু হয়েছে—যা নির্বাচনের আগে অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আশ্বাস দিলেও, আগামী কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র : ঢাকা ট্রিবিউন
