জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য কঠোর নির্বাচন আচরণবিধি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধি অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর কিংবা বিদেশে কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবে না। এটি প্রথমবারের মতো আচরণবিধিতে যুক্ত হলো। প্রার্থীরা যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বা সদস্য হন, তবে প্রচার শুরুর আগেই পদত্যাগ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা সমিতি প্রার্থীদের সংবর্ধনা দিতে পারবে না এবং প্রচারণায় জড়িত কেউ সরকারি ডাকবাংলো বা অফিসে অবস্থান করতে পারবেন না।
বিদেশে প্রচারণা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যদিও প্রবাসীদের জন্য হাইব্রিড পোস্টাল ব্যালটিং চালু করা হচ্ছে। পোস্টার পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকলেও বিলবোর্ড, ব্যানার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহার করা যাবে, তবে সবকিছুই কালো-সাদা ও পরিবেশবান্ধব উপাদানে তৈরি হতে হবে। একটি আসনে সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। মাইক ও লাউডস্পিকারের সীমা ধার্য করা হয়েছে তিনটিতে, এবং শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলের ওপরে হতে পারবে না।
এছাড়া ড্রোন, কোয়াডকপ্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) অপব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ভুয়া তথ্য, ঘৃণাবাদী কনটেন্ট, বিকৃত মুখমণ্ডল বা বিভ্রান্তিকর উপাদান প্রকাশ কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বিধিভঙ্গ করলে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১,৫০,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
সূত্র : ঢাকা ট্রিবিউন
