মিশরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ আনাস বিন আতিক ইতিহাস গড়েছেন। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের সেরা হাফেজেরা অংশ নেন, যেখানে কোরআন তিলাওয়াত, হিফজ এবং স্বরশুদ্ধি—এই তিনটি মূল মানদণ্ডে প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করা হয়। এ বছর মোট ৭০টি মুসলিম দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নিলেও সবার মধ্যে এগিয়ে ছিলেন বাংলাদেশি এই প্রতিভাবান হাফেজ।
হাফেজ আনাস তাঁর অসাধারণ তিলাওয়াত, সুর, মাকরাজের নিখুঁত প্রয়োগ এবং আয়াতের গভীর অনুভূতি ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে বিচারকদের মুগ্ধ করেন। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে তিনি ধারাবাহিকভাবে সেরা পারফরম্যান্স দেখান এবং শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত পর্বে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের এ ধরনের সাফল্য কেবল ধর্মীয় শিক্ষার উৎকর্ষই নয়, বরং দেশের কওমি ও হিফজ শিক্ষা ব্যবস্থার মানও বিশ্বে তুলে ধরে।
পরিবার, শিক্ষক ও দেশের মানুষের দোয়া ও সমর্থনই তাঁকে এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান আনাস। বাংলাদেশের ধর্মীয় অঙ্গনে এই জয়কে বড় একটি সম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অর্জন তরুণ প্রজন্মকে কোরআন চর্চায় আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
হাফেজ আনাসের এই বিজয় দেশজুড়ে আনন্দের ঢেউ তুলেছে, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসার বন্যা বইছে। মিশরের বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই কৃতিত্ব বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত।
সূত্র : Somoy tv
