Falcon Feed

ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক জামায়াতে, ঢাকায় যান চলাচলে স্থবিরতা

ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক জামায়াতে, ঢাকায় যান চলাচলে স্থবিরতা

৩ আগস্ট ২০২৫, বুধবার ঢাকার রাস্তায় তীব্র যানজট ও চলাচলে বিশৃঙ্খলার দৃশ্য দেখা যায়, যার মূল কারণ ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি। এই রাজনৈতিক দলটি ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতির প্রতিবাদে এই কর্মসূচির ডাক দেয় এবং সকাল থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীরা ঢাকার বারিধারা ও কূটনৈতিক এলাকাগুলোর আশপাশে জড়ো হতে শুরু করেন।এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলে স্থবিরতা দেখা দেয়। বিশেষ করে গুলশান, বারিধারা, মহাখালী ও বনানী এলাকাগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকেন।ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তবে হঠাৎ করে রাস্তা অবরোধ ও জমায়েতের কারণে যানচলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। ডিএমপি আরও জানায়, এমন পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন চলতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক ঘিরে কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়াও আসতে শুরু করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করাই গণতন্ত্রের অংশ, তবে জনদুর্ভোগ যেন না হয়—সেদিকেও রাজনৈতিক দলগুলোর সতর্ক থাকা উচিত। অন্যদিকে, জামায়াত বলছে, তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চায় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।এই ঘটনার প্রভাব শুধু যান চলাচলে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনের স্বাভাবিক গতি বারবার রাজনীতির কারণে ব্যাহত হওয়াটা কতটা গ্রহণযোগ্য।

সূত্র : ঢাকা ট্রিবিউন

Related Articles