#রাজধানীর সিটি করপোরেশনে কর্মরত তিনজন ঝাড়ুদারের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এদের প্রত্যেকের সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, তারা অর্জিত অর্থের বড় অংশ বিদেশে পাচার করেছেন এবং সন্তানদের কানাডায় পাঠিয়েছেন পড়াশোনা ও বসবাসের জন্য।তদন্তে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিতে নিম্নপদে থেকে এই কর্মচারীরা অস্বাভাবিক হারে সম্পদশালী হয়ে উঠেছেন। সাধারণ কর্মচারীর মাসিক বেতনের সঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাত্রা এবং বিপুল অর্থবিত্তের কোনো সামঞ্জস্য নেই। ফলে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ উঠেছে।দেখা গেছে, তাদের নামে একাধিক বাড়ি, প্লট, ব্যাংক হিসাব এবং বিপুল অঙ্কের নগদ অর্থ রয়েছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বিপুল অর্থ গচ্ছিত রাখার নানা প্রমাণ সামনে এসেছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ এবং বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে তারা এসব সম্পদ অর্জন করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নপদস্থ সরকারি কর্মচারীর এমন অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জন পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্নীতিগ্রস্ত চিত্রকে প্রকাশ করছে।অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—যখন একজন সাধারণ ঝাড়ুদার কোটি টাকার মালিক হতে পারে, তখন বড় পদে থাকা কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ কতটা হতে পারে! তারা মনে করছেন, এর মাধ্যমে সমাজে বৈষম্য আরও গভীর হচ্ছে এবং দুর্নীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।ঘটনাটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সুশীল সমাজ এবং নাগরিক সংগঠনগুলো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষও আশা করছে, এসব ঘটনার সঠিক বিচার হলে ভবিষ্যতে দুর্নীতি কিছুটা হলেও কমে আসবে।সূত্র: কালের কন্ঠ
You can share this post!
