ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ: তৌহিদী জনতার মিছিল, ইন্তিফাদা বাংলাদেশের আহ্বানসারসংক্ষেপ (প্রায় ৩৫০ শব্দে):দেশব্যাপী সহিংসতা, হত্যা, অপহরণ এবং ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) নিষিদ্ধের দাবিতে শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৌহিদী জনতা, ইসলামপন্থী সংগঠন ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়।বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ‘ইন্তিফাদা বাংলাদেশ’ নামের সংগঠন একটি বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। তারা পাঁচ দফা দাবি জানায়— গাজীপুর ধর্ষণ মামলায় পুলিশ প্রশাসনের ক্ষমা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, টঙ্গী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামবিদ্বেষ প্রতিরোধে নীতি প্রণয়ন, মুসলিম নারীর নিরাপত্তা রক্ষায় আইন প্রণয়ন, এবং ইসলামবিদ্বেষ-বিরোধী ইমাম ও সংগঠনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।এদিকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কামরাঙ্গীরচরে বিশাল বিক্ষোভ করে ইসকনের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেয়। তারা অভিযোগ তোলে যে, ইসকন বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদ বিস্তারের নামে ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় পরিচয় গোপন রেখে নারীদের শোষণ, এবং বিদেশি অর্থে ‘সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা’ ছড়াচ্ছে। সংগঠনটি ইসকনকে “ইসরাইলি ধাঁচের সন্ত্রাসী সংগঠন” আখ্যা দিয়ে এর কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানায়।রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মিরপুর, আসাদগেট ও জিগাতলা এলাকাতেও বিক্ষোভ হয়েছে। একই দাবিতে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষার্থীরা মিছিল করেছেন।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন— “ইসকন তুই জঙ্গি, স্বৈরাচারের সঙ্গী” ও “দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা।” তাদের বক্তব্যে ইসকনকে ‘মানবতার শত্রু’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ইসকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ইমাম গুম, ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ করে।অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চবিয়ান দ্বীনি পরিবার’ মানববন্ধনের আয়োজন করে, যেখানে বক্তারা গাজীপুরের ধর্ষণ ও আলিফ হত্যার ঘটনায় ইসকনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে দ্রুত বিচার দাবি করেন।
সূত্র : আমার দেশ
