জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তের আলোচনায় নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন—তিনি চান নিজ জন্মস্থান চাঁদপুর-৫ কিংবা রাজধানীর ঢাকা-১৮ কোন একটিতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি।পাটওয়ারী বলেন, বড় দলের প্রচারণার শক্তি বেশি থাকলেও এনসিপি আগে থেকেই কাজ শুরু করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে দল ‘শেষ খেলা দেখাবে’—অর্থাৎ প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কাজ ও মিটিং-মিছিল করে ভোটযুদ্ধে সক্রিয় হতে চান তারা। এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, তিনি দলীয় প্রস্তুতি ও মাঠপর্যায়ের সংগঠনের ওপর দৃষ্টি রাখছেন এবং বড় দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় স্থান করে নেওয়ার মানসিকতায় রয়েছেন।সেমিনারে ছাত্র উপদেষ্টাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে করা প্রশ্নের প্রেক্ষিতে পাটওয়ারী বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে যদি দুইজন ছাত্র উপদেষ্টা পদত্যাগ করেন, সেক্ষেত্রে এনসিপি তাদের আমন্ত্রণ করবে। এর অর্থ, দল নবীণ কণ্ঠ ও শক্তি প্রয়োগের জন্য আকর্ষণীয় ও গতিশীল কর্মী-প্রতিভা যোগাতে উৎসাহী।একই অনুষ্ঠানে ‘মাজার সংস্কৃতি: সহিংসতা, সংকট ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক বক্তৃতায় তিনি সংবিধান ও আধুনিক রাষ্ট্রগঠনের ওপর জোর দেন। পাটওয়ারী বলেন, সংবিধান পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান সংবিধান মেনে চলাই যুক্তিসঙ্গত; তবু সংবিধানের কিছু অসঙ্গতি মাজার-সংস্কৃতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সকল পক্ষকে অধিকার রক্ষা করতে এবং সহিংসতার বদলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান খুঁজে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।মোট Milestones হিসেবে দেখা যায়—নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক আগ্রহ উভয় এলাকাকেই কেন্দ্র করে; একই সঙ্গে এনসিপি মাঠ প্রস্তুতি, ছাত্রকদলের সঙ্গে সংযোগ এবং সংবিধানগত শৃঙ্খলা রক্ষা-সব মিলিয়ে তাদের কৌশলগত রোডম্যাপের অংশ।
সূত্র : আমার দেশ
